যখন আপনার জুনিয়র স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত

school-child

দেখতে দেখতে আপনার ছোট্ট জুনিয়র স্কুলে যাওয়ার জন্য নিজেকে তৈরি করছে।

আপনি কি শুধু শুধু মুগ্ধতা নিয়ে আপনার জুনিয়রের এই স্কুলে যাওয়ার জন্য করা প্রস্তুতি দেখবেন?

একদমই না, আপনার নিজেও প্রস্তুত হতে হবে এই ক্ষুদে যোদ্ধার স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতিতে নতুন করে উৎসাহ আর শক্তি যোগাতে।

আসুন দেখি আপনার জুনিয়রের স্কুলের প্রস্তুতিতে আপনার কি কি ভূমিকা পালন করতে হবে:

*যেখানে আপনার জুনিয়র নিজেকে নতুন করে গুছিয়ে তুলছে স্কুলে যাওয়ার জন্য সেখানে আপনারও উচিৎ হবে তাকে উৎসাহ যোগাতে কিছু করার।

জুনিয়রের জন্য পুরাতন বইগুলো আলাদা করে রেখে তার জন্য নতুন বইয়ের ব্যবস্থা করুন। সত্যি বলতে বাচ্চারা নতুন বই ভীষণ পছন্দ করে আর এতে তাদের পড়ার আগ্রহও বাড়ে।


আরো পড়ুনস্কুল উপযোগী শিশুদের জন্য অভিভাবকদের কিছু করণীয়


*জুনিয়রের স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে তার জন্য নতুন স্কুল ব্যাগ, পানির বোতল , নতুন জুতা আর নতুন ড্রেসের ব্যবস্থা করুন।

বিশ্বাস করুন এতে আপনার বাচ্চা দ্বিগুণ উৎসাহে নিজেকে স্কুলের জন্য প্রস্তুত করতে শুরু করবে।

*আপনার জুনিয়র যখন নিজেকে বাইরের একদম নতুন পরিবেশ আর মানুষদের সাথে পরিচিত হতে নিজেকে প্রস্তুত করতে যাচ্ছে তখন আপনার করণীয় হবে তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলা।

তার সাথে আপনার নিজের স্কুলের ভালো ভালো অভিজ্ঞতার গল্প করুন আর হ্যাঁ মজার ঘটনাগুলোও বাদ দিবেন না।

*আপনার জুনিয়রকে এই সময় আরও একটু চনমনে আর ফিট রাখতে তার খাবারের প্রতি সচেতন হন। তাকে বেশী বেশী পুষ্টিকর খাবার খাওয়ান।


আরো পড়ুন– আপনার ছোট্ট সোনামণির পর্যাপ্ত পুষ্টির জন্য প্রয়োজন যে খাবারগুলো


সে যদি শারীরিকভাবে সুস্থ আর ফিট না থাকে তাহলে কিছুতেই পড়ায় মন বসাতে পারবে না আবার স্কুলে যাওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। বাচ্চা খেতে না চাইলে তাকে খেলার মাঝে বা অন্য কোনভাবে খাওয়াতে চেষ্টা করুন।

*এতদিন আপনি নিজে পড়ালেও এবার আপনার জুনিয়রের জন্য চাইলে একজন গৃহ শিক্ষকের নিয়োগ করা যেতেই পারে।


আরো পড়ুন– শিশুকে পড়ানোর সময় একজন মায়ের যে বিষয়গুলো মনে রাখা উচিত


এতে করে আপনার বাচ্চা নিজেকে সত্যিকার অর্থে স্কুলে যাওয়ার উপযুক্ত ভাবতে শিখবে। আর বাড়িতে একা পড়া বা শুধুমাত্র বাবা বা মায়ের কাছে পড়তে বসার একঘেয়েমি কাটবে।

এই সময়টা শুধু আপনার জুনিয়র না বরং আপনার জন্য সোনালি সময়। নিজেকে যতোটা পারেন আপনার সন্তানের সাথে মিলিয়ে ফেলুন দেখবেন সন্তানের সাথে সাথে আপনার নিজের সময়গুলোও রঙিন হয়ে উঠছে।


সম্পর্কিত পোস্ট: