রমজানে ডায়াবেটিস রোগীরা যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন

Smiling doctor consoling patient sitting on wheel chair outdoorডায়াবেটিস রোগীরা রমজান মাস আসলেই চিন্তিত হয়ে পড়েন রোজা রাখা যাবে কি যাবে না, গেলে ইফতারি এবং সেহেরীতে কি কি খেতে হবে, ওষুধ গ্রহণের সময় সূচী কেমন হবে ইত্যাদি ব্যাপার নিয়ে। তাই জেনে নিন কিছু পদ্ধতি যা অনুসরণ করলে ডায়াবেটিস রোগী রোজা রাখার পরেও সুস্থ থাকতে পারবেন।

১. ডায়াবেটিস রোগী ইফতারে স্বাভাবিক খাদ্যই খেতে পারবেন, তবে লক্ষ্য রাখতে হবে তা যেন চিনি মুক্ত হয় এবং ভাজা-পোড়া খাবার পরিমাণে কম থাকে। চিনিমুক্ত শরবত এবং ডাবের পানি পান করা যেতে পারে। ভাজা পোড়া খাবার যথা সম্ভব পরিহার করে চিড়া, আটার রুটি বা খিচুড়ি ইফতারে খাওয়া নিরাপদ।

২. খাবার রান্নার সময় খুবই স্বল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল অথবা সরিষার তেল ব্যবহার করুন।

৩. রাতের খাবার এবং সেহেরীতে আঁশ যুক্ত খাবার, প্রচুর শাক-সবজি ও সালাদ এবং ফল রাখুন।

৪. চা, কফি এবং কোল্ড ড্রিংক্স এর পরিবর্তে পানি পান করুন। কমপক্ষে দেড় থেকে দুই লিটার পানি ইফতার থেকে সেহেরীর মধ্যবর্তী সময় পান করতে পারেন।

৫. তারাবীর নামায খুবই ভাল ব্যায়াম। এতে যেমন মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায় তেমনি শরীর ও ভাল থাকে। তাই চিকিৎসকরা সাধারণত ডায়াবেটিস রোগীকে রমজানে তারাবীর নামায পড়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর খাবার এবং যত্ন সম্পর্কে আরও জানতে পড়ুনঃ

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।