দুর্গন্ধমুক্ত সজীব নিঃশ্বাস পেতে কি করবেন?

bad breathকে না চায় সজীব নিঃশ্বাস পেতে। আপনার সমস্ত সাজসজ্জা আর ব্যক্তিত্ব এক নিমেষেই শেষ হয়ে যাবে যদি আপনার মুখে দুর্গন্ধ (bad breath) থাকে। নিজের ব্যক্তিত্বর পূর্ণ বিকাশ ও নিজেকে সুন্দর ও সাবলীল ভাবে উপস্থাপন করতে তাজা শ্বাসের কোন বিকল্প হয়না। এখন প্রশ্ন হলো কিভাবে আপনি সজীব নিঃশ্বাস পাবেন বা সজীব নিঃশ্বাস পেতে হলে আপনাকে কি করতে হবে? আসুন জেনে নেওয়া যাক।

  • ব্রাশ করুন (brush)আপনার মুখের সজীব নিঃশ্বাস নিশ্চিত করতে ব্রাশ করার থেকে ভালো কোন পদ্ধতি হয়না। খাবার খাওয়ার পর ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্রাশ করতে ভুলবেন না। ব্রাশ করার আগে নিশ্চিত করুন আপনার ব্রাশ সঠিক আকৃতির কিনা, কেননা ব্রাশ সঠিক গড়নের না হলে মুখের সর্বত্র যেতে পারেন না।
  • ব্রেথ টনিক (herb pharm breath tonic)আপনার সজীব নিঃশ্বাস পেতে এটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি দারুচিনি ও আদার মিশ্রণে তৈরি এমন একটি ব্রেথ টনিক যা আপনার মুখের ভেতর স্বস্তি দিয়ে সজীব নিঃশ্বাস পেতে সাহায্য করে।
  • টাং স্ক্র্যাপার (tongue scraper)এটি ব্যবহার করে জিহ্বার উপরিভাগের সব মৃত কোষ ও ব্যাকটেরিয়া সহজেই সরিয়ে ফেলা যায়। আর এটি আপনার মুখের জীবাণু নাশ করে সজীব নিঃশ্বাস দেবে।
  • ফ্লস (floss)ফ্লস আপনার দাঁতে আটকে থাকা খাদ্য কণা ও প্লাক সরিয়ে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে সজীব নিঃশ্বাস পেতে সাহায্য করে।
  • পানি (water)পানি একমাত্র পানীয় যেটা আপনার মুখের ভেতরের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রেখে সজীব নিঃশ্বাস উপহার দেয়। তাই সজীব নিঃশ্বাস পেতে পানি পান করুন।
  • পেয়ারা (guava)কাঁচা পেয়ারা সজীব নিঃশ্বাস দিতে খুব কার্যকরী। তাই সজীব নিঃশ্বাস পেতে কাঁচা পেয়ারা খান।
  • অ্যাপেল সিডার ভিনেগার (apple cider vinegar): সজীব নিঃশ্বাস পেতে প্রতিটি খাবার গ্রহণের পূর্বে একগ্লাস পানিতে এক টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের সাথে পান করুন।
  • লেবু (lemon)সজীব নিঃশ্বাস পেতে লবণ দিয়ে লেবু খান।
  • বেকিং সোডা (baking soda)ব্রাশ করার সময় পেস্টে বেকিং সোডা মিশিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। সজীব নিঃশ্বাস পেতে বেকিং সোডা ব্যবহার করুন।

সজীব নিঃশ্বাস পেতে উপরের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন। আপনার উপকারে আসবে বলে আশা করি।

আরো পড়ুন

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।