জেনে নিন চোখের যত্নে গোলাপজলের ব্যবহার

rose-water-wrinkles-skin-careচোখের উপর প্রতিদিন যে পরিমাণ ধকল যায় তাতে মনে হয় চোখের ভাষা বোঝার মতো ক্ষমতা আমাদের নেই।  তাই বলে তো আমরা এড়িয়ে যেতে পারিনা চোখের যত্ন নেয়া। চোখের নিচে কালি দূর করতে এবং চোখকে সতেজ রাখতে আমরা প্রতিদিন অল্প একটু সময় নিয়ে ব্যবহার করতে পারি নিচের পদ্ধতি সমূহ।

  • একটা বাটিতে ২ টেবিল চামচ গোলাপজল নিন। এবার একটা পাকা কলা নিন। কলা থেকে খোসা ছাড়িয়ে ফেলুন। কলার খোসাকে চোখের আকার করে কেটে নিন।সাইজ করে কাটা কলার খোসার ভিতরের অংশের দিকটি বাটিতে রাখা গোলাপজলে ৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর চোখের উপর খোসা দুটি ১০ মিনিট রাখুন। এইবার চোখ ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। প্রতি দুই দিন অন্তর অন্তর এভাবে চোখে কলার খোসার সাথে গোলাপজল লাগালে চোখের নিচে কালি দূর হবে এবং কেটে যাবে চোখের ক্লান্তিভাব।
  • একটি পরিষ্কার বাটিতে ২ চা চামচ গোলাপজলের সাথে ১ চা চামচ তরল দুধ ভালো করে মিশিয়ে নিন। দুই চোখের জন্য দুটি তুলার প্যাড বানিয়ে নিন। তুলার প্যাড দুটি বাটিতে রাখা গোলাপ জলের মিশ্রণে ১৫ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এবার প্যাড দুটি চোখের উপর রেখে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর চোখ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। গোলাপজলের এই মিশ্রণটি সপ্তাহে ২ বার করে ব্যবহার করলে চোখের উজ্জলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
  • গোলাপজলের সাথে সামান্য মধু মিশিয়ে চোখের নিচে কালো দাগে হালকা করে লাগিয়ে ৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে আপনার চোখের নিচে কালো দাগ অল্প সময়ে চলে যাবে।
  • একটি বাটিতে ২ টেবিল চামচ ব্লেন্ড করা গাজরে ৩ টেবিল চামচ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এরপর চোখের আকার অনুযায়ী দুটি পাতলা সুতি কাপড় নিন। সুতি কাপড় দুটি চোখের উপর দিয়ে তার উপর গোলাপজল আর গাজরের প্যাকটি বসিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর চোখ ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাসে ২বার ব্যবহারে চোখের নিচে কালো রেখা দূর হয় ও চোখের মসৃণতা ফিরিয়ে আনে। তাছাড়া প্রতিদিন গোলাপজল চোখের নিচে হাল্কা করে লাগিয়ে চোখ ধুয়ে ফেললে চোখের নিচে কালোদাগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।