প্রাকৃতিক উপায়ে যেভাবে পেতে পারেন সুন্দর ও রেশমি চুল

397407_376149902489080_533528040_n
ছবি কৃতজ্ঞতা- শাগুফতা আফরীন জুঁই

ডিম, দই, মধু এগুলোকে আমরা কেবল সুস্বাদু খাবার হিসেবেই চিনি। কিন্তু এই উপাদানগুলো দিয়ে আমরা সহজেই আমাদের রূপচর্চার কাজ চালাতে পারি। যেমন ডিম, দই আর মধু দিয়ে ঘরে বসে আমরা খুব সহজে চুলের যত্ন নিতে পারি। শুধু আপনাকে জানতে হবে এর সঠিক ব্যবহার পদ্ধতি।

ডিমঃ
যাদের চুল একটু তৈলাক্ত তারা ডিমের সাদা অংশটুকু আলাদা করে নিয়ে মাথার ত্বক বা তালু (স্ক্যাল্প) বাদ দিয়ে পুরো চুলে লাগান। ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন আর আপনার পছন্দের শ্যাম্পু দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। যাদের চুল শুষ্ক ধরণের তারা ডিমের কুসুম ব্যবহার করে চুল মশ্চারাইজিং করতে পারেন। ডিমের কুসুম আলাদা করে নিন, পুরো চুলে ভালোভাবে মেখে নিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। মনে রাখবেন ডিমের কুসুম আপনি পুরো মাসে একবার ব্যবহার করবেন আর ডিমের সাদা অংশ দুসপ্তাহ পরপর।

দইঃ
চুলের যত্নে দইয়ের কোন তুলনা হয়না। দই এমন একটি উপাদান যা আপনার চুলের চেহারা বদলে দেবে। যাদের চুল রুক্ষ আর শুষ্ক তারা চুলে দইয়ের ম্যাসাজ নিয়ে দেখতে পারেন। ভালো ফল পাবেন আশা করি। এক্ষেত্রে টক দই সব থেকে ভালো কাজ করে। ২ থেকে ৩ কাপ টক দই অথবা এমনি দই চুলে ম্যাসাজ করুন, ২০ মিনিট রেখে দিন। এরপর হালকা গরম পানিতে চুল ধুয়ে নিন। স্বাভাবিক যেমন করে শ্যাম্পু করেন সেভাবে চুলে শ্যাম্পু করুন। প্রতি সপ্তাহে একবার করে এভাবে ব্যবহার করুন আপনার চুল হয়ে যাবে নজরকাড়া সুন্দর।

মধুঃ
রোদে ফেটে যাওয়া চুলের যত্নে মধুর কোন তুলনা হয়না। চুলে ২ থেকে ৩ কাপ মধু আর সাথে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল বা একটি ডিমের কুসুম মেশাতে পারেন। এরপর ২০ থেকে ২৫ মিনিট চুলে এই উপাদান গুলো লাগিয়ে রাখুন। পরে হালকা গরম পানিতে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি আপনি মাসে একবার করে চুলে লাগাতে পারেন।

কোন কেমিক্যাল ব্যবহার না করে, আবার পার্লারে না গিয়ে এই টিপস গুলো অনুসরণ করে দেখুন, চুলের কোন ক্ষতি ছাড়াই আপনি পেতে পারেন সুন্দর আর রেশমি একমাথা চুল।

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।