প্রাকৃতিকভাবে মুক্তি পান শরীরের অবাঞ্ছিত লোম থেকে

670px-Get-Rid-of-Hair-Anywhere-on-Your-Body-With-Pumice-Step-4আমাদের শরীরে লোম একটি স্বাভাবিক অবস্থা কিন্তু অতিরিক্ত লোম বা অবাঞ্ছিত লোম (unwanted hair)আমাদের নিজেদের জন্য যেমন অস্বস্তিকর একটি ব্যাপার একইভাবে অন্যর কাছে নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেও মোক্ষম অস্ত্র। তাই আমরা সবাই নিজেদের শরীরের অবাঞ্ছিত লোম থেকে মুক্তি পেতে সচেতন থাকি সব সময়ই।। আসুন আজ আপনাদের এই অস্বস্তিকর সমস্যার কিছু সহজ ও প্রাকৃতিক সমাধান দেওয়া যাক।

শরীরের অবাঞ্ছিত লোম থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

  • আপনি ঘরে বসেই একটি প্যাক তৈরি করুন। হলুদের গুঁড়া, ময়দা (gram flour) ও পানি এই তিন উপাদান একসাথে মিশিয়ে একটি মিহি পেস্ট রেডি করুন। আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় জায়গাতে পেস্টটি লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। পরে মৃদুভাবে জায়গাটি থেকে শুকিয়ে যাওয়া পেস্টটি তুলে ফেলুন। এটি অত্যন্ত যত্নের সাথে আপনার শরীরের লোম বৃদ্ধি বন্ধ করবে।
  • আপনার হাত ও পায়ের অবাঞ্ছিত লোম তুলতে গোসলের সময় পিউমিস স্টোন (Pumice Stone) দিয়ে স্বাভাবিকভাবে ঘষুন এটি খুব দ্রুত আপনার হাত পায়ের লোম উঠিয়ে দিতে সাহায্য করবে।
  • ঘরোয়া পদ্ধতিতে আপনি লেবু, মধু ও চিনি দিয়ে একটি মিকচার বানান। আপনার শরীরের যেখান থেকে অবাঞ্ছিত লোম তুলে ফেলতে চান সেখানে এই মিকচারটি লাগান। কিছুক্ষণ পর একটি ফেব্রিক কাপড় দিয়ে লোমের বিপরীত দিকে টেনে লোম উঠিয়ে ফেলুন। এটি এমন একটি পদ্ধতি যাতে আপনার শরীরের লোমের বৃদ্ধি এক নিমেষেই অনেখানি কমে যায়।
  • দই, মিল্ক ক্রিম ও গ্রাম ফ্লাওয়ার এই তিন উপাদান একসাথে মিশিয়ে একটি পেস্ট রেডি করুন। এরপর এই পেস্ট আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় স্থানে ব্যবহার করুন। মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে হালকা ঘষে তুলে ফেলুন। দেখেবন এটি আপনার শরীরের অবাঞ্ছিত লোম তুলে ফেলার সাথে সাথে লোমের বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান করবে।

যারা পার্লারে গিয়ে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম তুলতে অস্বস্তিবোধ করেন বা ঝামেলা মনে করেন তারা ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক উপায়ে সহজেই আপনার শরীরের লোম তুলতে পারেন।

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।