যেভাবে মুক্তি পেতে পারেন নাক ডাকাজনিত বিব্রতকর সমস্যা থেকে

snoreঘুমের ঘোরে অনেকেই নাক ডাকেন যা নিজের জন্য যেমন বিব্রতকর, তেমনি সাথে কেউ ঘুমালে তার জন্য হয়ে ওঠে বিরক্তিকর। চিকিৎসকের পরামর্শ এবং কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করলে সহজেই এ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেয়া যাক নাক ডাকা থেকে মুক্তি পাবার কিছু সাধারণ উপায় সম্পর্কে।

  • চিৎ অথবা উপুড় হয়ে ঘুমালে শ্বাসনালীতে চাপ পড়ে, ফলে শ্বাস নেয়ার সময় জোরালো শব্দ সৃষ্টি হয়। তাই পাশ ফিরে ঘুমানোর অভ্যাস তৈরি করুন। এতে নাক ডাকা থেকে মুক্তি পাবেন।
  • অতিরিক্ত ওজন, বিশেষ করে গলার চারপাশে চর্বি জমলে শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে পড়ে। নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করে ওজন নিয়ন্ত্রণে আনলে নাক ডাকা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
  • ঘুমের ওষুধ স্নায়ু তন্ত্রে চাপ সৃষ্টি করে, গলার এবং মুখের পেশীকে শিথিল করে ফেলে। যা নাক ডাকার অন্যতম কারণ। ঘুমানোর আগে এলকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। এছাড়া এলকোহল এবং ঘুমের ওষুধ কখনোই একই সাথে গ্রহণ করবেন না।
  • শ্বাস-নালীর ক্রনিক এলার্জি হলে ঘুমানোর সময় তা রোগীকে মুখ খোলা রেখে ঘুমাতে বাধ্য করে। ফলে নাক ডাকার সৃষ্টি হয়। ঘুমানোর আগে  এন্টি-হিস্টামিন গ্রহণ এ থেকে মুক্তি দিতে পারে। যদি সবসময় নাকে জ্বালা-পোড়া, সর্দি, হাঁচি, চুলকানি হয়ে থাকে তবে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
  • ধূমপান এর অভ্যাস বর্জন করুন আজই। কারণ নিয়মিত ধূমপান আমাদের  শ্বসন-তন্ত্রকে  ধ্বংস করে দেয়। যা নাক ডাকার অন্যতম কারণ।
  • প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমান এবং ঘুম থেকে জেগে উঠুন।
  • উঁচু অথবা একাধিক বালিশ ব্যবহার করুন যাতে আপনার মাথা বুকের চেয়ে কিছুটা উপরে অবস্থান করে। এই পদ্ধতিও নাক ডাকা বন্ধ করার ক্ষেত্রে বেশ কার্যকরী।

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।