একজন মা যেভাবে তার টিনেজ মেয়ের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সচেতন হবেন

teenage care

একটি টিনেজ মেয়ের সবথেকে ভালো বন্ধু হয়ে উঠতে পারে তার মা। এই সময়টাই একজন মা ই পারে তার কিশোরী মেয়েটির মানসিক ও শারীরিক দিকগুলোর পুরো খেয়াল রাখতে। মনে রাখতে হবে এই বয়সটায় আপনার মেয়ের স্বাস্থ্য আর মানসিক বিকাশের শ্রেষ্ঠ সময়, তাই তার স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ যত্নবান হন।

টিনেজ মেয়ের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সচেতনতা সম্পর্কিত পরামর্শঃ

* কিশোরী মেয়েটির খাদ্য তালিকায় এখন থেকেই পুষ্টিকর রাখুন। তার জন্য একটি সুষ্ঠু খাদ্য তালিকা প্রস্তুত করুন। মনে রাখবেন আজকের এই মেয়েটি একদিন মা হবে তার সন্তান হবে আর এখন থেকে যদি তার শারীরিক সুষ্ঠু বিকাশ না হয় তাহলে আগামীতে সে কোন ক্ষেত্রেই ভালো করতে পারবেনা।

* আপনার কিশোরী মেয়েটির সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করেত নজর রাখুন সে পর্যাপ্ত ঘুমাচ্ছে কিনা। একজন টিনেজ মেয়ের প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ঘুমানো ভীষণ দরকারি। পর্যাপ্ত গুম তাকে সুস্বাস্থ্য আর অফুরন্ত জীবনী শক্তি দান করবে।

* আপনার টিনেজ মেয়ে যাতে প্রতিদিন সকালের খাবারটি ঠিকঠাক খায় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। দিনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হল ব্রেকফাস্ট, তার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ব্রেকফাস্টে দুধ, ডিম, মাখন, ফল, টোষ্ট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করুন।

*  আপনার মেয়েকে প্রতিদিন হালকা ব্যায়ামের অভ্যাস করান। ব্যায়াম তার শারীরিক আর মানসিক উভয় ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। সকালে কিছুটা সময় সাইকেলিং, দৌড়ান অথবা তাকে একটি জিমে ভর্তি করে দিতে পারেন। এতে তার সুষ্ঠু শারীরিক গঠন নিশ্চিত হবে।

* এই সময় একটি মেয়ের বিভিন্ন শারীরিক পরিবর্তন সম্পূর্ণ হয় যার কারনে তার নানা ধরণের শারীরিক উপসর্গ ও সমস্যা দেখা যায়। এসব ব্যাপারে মাকেই সচেতন হতে হবে, স্বাভাবিকভাবেই এই সময়টাই কিশোরী মেয়েরা নিজেদের অসহায় বোধ করে। মা হিসেবে আপনাকেই আপনার মেয়ের পাশে দাড়াতে হবে তাকে মানসিকভাবে সাহায্য করতে।

* এই সময়টাতেই একজন মেয়ের পিরিয়ড শুরু হয়, সম্পূর্ণ নতুন একটি শারীরিক পরিবর্তনের সম্মুখীন হয়ে আপনার মেয়ে দিশেহারা বোধ করতে পারে, তাই মা হিসেবে আপনি তার এই সময়টাই তার সুস্বাস্থ্য রক্ষা করুন।

মেয়ের সুস্থ আর স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য মায়ের ভুমিকার শেষ নেই। আপনার টিনেজ মেয়ের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আজই এগিয়ে আসুন।