গরমে সাইনোসাইটিস থেকে সুরক্ষার উপায় নিয়ে কিছু পরামর্শ

5937618994_85067edf4b_oসাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা নানা ধরনের জীবাণুর আক্রমণেই সাইনোসাইটিস হয়ে থাকে। শীতকালে সাইনাসের সমস্যা তীব্র আকার ধারন করে। তবে গরমকালেও অনেকের সাইনোসাইটিসের প্রাদুর্ভাব লক্ষণীয়। তাই কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থাই পারে এই গরমে সাইনোসাইটিসের প্রভাব থেকে সুরক্ষা দিতে।

১.তীব্র ঠাণ্ডা পানি পান থেকে বিরত থাকুনঃ প্রচণ্ড গরমে নিজেকে একটু সতেজ করে নিতে আমরা হরহামেশাই বাসার ফ্রিজ থেকে কিংবা ঘরের বাইরে বিভিন্ন দোকান কিংবা ফার্স্ট ফুডের দোকান থেকে তীব্র ঠাণ্ডা পানি বা নানা ধরনের পানীয় পান করে থাকি। যা স্বাভাবিক অবস্থায় আমাদের শরীরের তাপমাত্রার সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ না। তাই তীব্র ঠাণ্ডা পানি পান থেকে বিরত থেকে শরীরের তাপমাত্রার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ রেখে ঠাণ্ডা পানি পান করুন।

২.আধিক হারে ঠাণ্ডা খাবার বা পানিকে নাঃ গরম কালে এলেই অনেকেরেই ঘন ঘন আইসক্রিম, কোলা বা কোমল পানীয়,লাচ্ছিসহ,নানা ধরণের শরবত পানের এক নিধারুন চাহিদা বেড়ে যায়। কিন্তু নিয়মিত ও অধিক হারে ঠাণ্ডা খাবার গ্রহণ,পানি পান সাইনোসাইটিসের প্রভাব বৃদ্ধির সহায়ক হিসেবে কাজ করে। তাই অধিক পরিমানে ঠাণ্ডা খাবার গ্রহণ,পানি পান করবেন না, খুব বেশি প্রয়োজন হলে পরিমিত আকারে গ্রহণ বা পান করুন।

৩.ঘাম ও গরমকে এড়িয়ে চলুনঃ  স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস গমন আমাদের প্রত্যহিক কাজের অংশ যার জন্য আমাদেরকে বাসা থেকে বের হতে হয় সূর্যের ঝলকানিকে মাথায় নিয়ে। ফলশ্রুতিতে আমাদের শরীর থেকে অধিকহারে ঘাম নিঃসৃত হয়, পরবর্তীতে এই ঘাম পুনারায় আমাদের শরীরের সাথে মিশে যায় যা ক্রমশ সাইনাসের আক্রমণকে বাড়িয়ে দেয়।

তাই যতটুকু সম্ভব ঘাম ও গরমকে এড়িয়ে চলুন এবং কিছু সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে যেমনঃ বাসা থেকে বের হওয়ার পূর্বে আপনার সঙ্গে ছাতা রাখতে পারেন যা সূর্যের তাপ থেকে আপনাকে রক্ষা করবে, টিস্যু, রূমাল বা টাওয়াল দিয়ে কিছু সময় পর পর শরীরের ঘাম মুছে ফেলুন, সঙ্গে স্যলাইন বা খাবার পানি রাখুন।

৪.ধূলাবালি থেকে নিজেকে রক্ষা করুনঃ চেষ্টা করুন নিজেকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখতে, ধুলাবালি থেকে নিজেকে রক্ষা করুন প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার করুন।

৫.পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুনঃ নিজের প্রতি নিজের খেয়াল রাখুন পুষ্টিকর খাদ্যাভাস গড়ে তলুন, ভিটামিনযুক্ত খাবার খান, আমাদের দেশীয় ফল গুলতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন থাকে এবং দামেও সাশ্রয়ী। তাই যত বেশি পারুন ফল খাবেন।

আপনার রোগটি যদি দীর্ঘ মেয়াদি হয় তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে