ঈদী ও তার বাঁশি

eidi-and-her-flute

ছুটির প্রতিদিন সকালে ঈদী নাস্তা সেরেই তার বাঁশিটা নিয়ে চলে যায় নদীর ধারে। আর একমনে বাজাতে থাকে দুপুরের মধ্যভাগ পর্যন্ত।

নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে আর বাঁশির মনভোলানো সুরে আশপাশটা যেন মধুরতায় ভরে যায়।

অন্যান্যদিনের মত একদিন ঈদী বাঁশি বাজাচ্ছে হঠাৎ তার মনে পড়ল মা বাড়িতে থাকতে বলছিল শরীরটা তার ভাল লাগছে না। অসুস্থ বোধ করছে।

মায়ের কথা মনে পড়তেই বাঁশি বাজানো বন্ধ করে বাড়ির দিকে রওনা দিল ঈদী। বাড়ির দরজায় পৌঁছে শুনতে পেল গোঙানির শব্দ।

ছুটে গেল ঈদী। দেখতে পেল মা বিছানায় শুয়ে বিড়বিড় করছে।


আরো পড়ুনবিপদকে মোকাবেলা করাই বিপদ থেকে মুক্তির সবচেয়ে ভালো উপায়


ঈদী মাধ্যমিক পাশ করেছে এবার। মানসিক বল না হারিয়ে মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে নিকটস্থ হাসপাতালে ফোন করে মাকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করল।

চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্র লিখে দিয়ে ঈদীকে ধন্যবাদ জানাল কারণ বেশী দেরী হলে ব্যপারটা সামলানো কঠিন হত।

মায়ের ব্লাড প্রেশার হাই হয়ে গিয়েছিল। এখন বাসায় ফিরে বিশ্রাম নিচ্ছে মা আর তা দেখে সস্তির নিঃশ্বাস ফেলল ঈদী।


শিক্ষাঃ ব্যস্ততা বা বিনোদনের যাঁতাকলে আমরা যেন পরিবারের সদস্যদের হারিয়ে যাওয়ার আগেই মূল্যায়ন করতে পারি এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য ভুলে না যাই।


সম্পর্কিত পোস্ট: