সিদ্ধান্ত তৈরির দক্ষতা এবং কৌশল

decision

প্রতিদিনই আমাদের কোন না কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। যেমন আজ ঘুরতে যাব কি যাব না। কিছু কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া জটিল হয় জেমনঃ দুটা চাকরি পেয়েছি, কোনটা বাদ দিয়ে কোনটা করব।

সহজ ব্যাপারে সাধারণত সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ হয়। কিন্তু কঠিন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় জড়িত থাকেঃ

অনিশ্চয়তা- অনেক বিষয় অজানা থাকে।

জটিলতা- একটার সাথে আরেকটা বিষয় বিবেচনা করতে হয়।

উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ ফলাফল- সিদ্ধান্তের প্রভাব তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।

বিকল্প- প্রত্যেকটা বিষয়ের অনিশ্চয়তা এবং ফলাফল আছে।

সামাজিক বিষয়- এটা পূর্বোক্তি করা কঠিন যে অন্য ব্যাক্তিরা কি প্রতিক্রিয়া করবে।

১. সিদ্ধান্ত নেয়ার উদ্দেশ্য খুঁজুন। ঠিক কি বিষয় সমাধান করতে হবে? কি জন্য সমাধানের প্রয়োজন।

২. তথ্য সংগ্রহ করা। কি কি বিষয় সমস্যার সাথে জড়িত। সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টার ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন।


আরো পড়ুনপেপারকাটিং থেকে নিজেই তৈরি করুন আপনার সোর্সবুক বা তথ্যবহুল বই


৩. বিকল্প ধারনের উৎস খুঁজুন। সমাধানের জন্য কি কি আদর্শ ও ন্যায়মূলক মানদণ্ড থাকা উচিত?

৪. বিভিন্ন সম্ভাব্য পছন্দের তালিকা খুঁজুন। সম্ভাব্য সমাধানের জন্য বিভিন্ন ধারণা তৈরি করুন।

৫. সিদ্ধান্তের ফলাফলের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা পছন্দের মূল্যায়ন করুন। আপনার আদর্শ ও মানদণ্ড ব্যাবহার করে প্রতিটি পছন্দের বিকল্পের সুবিধা ও অসুবিধা নির্ধারণ করুন।

৬. সর্বোচ্চ বিকল্প নির্ধারণ করুন। প্রস্তুতি পদক্ষেপের উপর ভিত্তি করে বিকল্প নির্ধারণ করা সবচেয়ে সহজ।

৭. সিদ্ধান্ত কাজে লাগানঃ নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে সিদ্ধান্তটা কাজে রুপান্তর করুন। পরিকল্পনা কাজে সম্পাদন করুন।


আরো পড়ুনব্যবসার পরিকল্পনার সময় যে পাঁচটি কাজ আপনাকে করতেই হবে


৮. আপনার সিদ্ধান্তের ফলাফল মূল্যায়ন করুন এবং কাজের পদক্ষেপ নিন। কি কি শিখলেন। আপনার সিদ্ধান্ত তৈরির প্রক্রিয়ার অধিকতর উন্নতির জন্য এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

৯. বন্ধুদের সহায়তা নিন। যাকে আপনি বিশ্বাস করেন তার সহায়তা নিন। একই সমস্যার সমাধান করেছেন তার সহায়তা নিন।


সম্পর্কিত পোস্ট: