সুস্থ ও ঝলমলে চুল পেতে দইয়ের ৩ টি ব্যবহার

How-to-Make-Your-Hair-Healthy-With-Yogurtএকরাশ সুন্দর চুলের জন্য দইয়ের(yogurt) ব্যবহার সেই প্রাচীনকাল থেকে হয়ে আসছে। নিষ্প্রাণ আর নিস্তেজ চুল সুস্থ আর ঝলমলে করতে দই একটি অনন্য উপাদান। দইয়ের প্রোটিন উপাদান, জিঙ্ক ও ল্যাকটিক অ্যাসিড চুলের বৃদ্ধিসহ চুলকে (hair) পুষ্টি সরবরাহ করে ও মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

১) ন্যাচারাল কন্ডিশনার হিসেবে (as a natural conditioner)

  • ব্লেন্ড করা হাফ কাপ মিহি দই চুলে ভালমতো লাগিয়ে একটি টাওয়েল দিয়ে ২০ মিনিট চুলগুলো মুড়িয়ে রাখুন। আপনার রেগুলার শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন আর লক্ষ্য করুন চুলের মসৃণতা। এটি প্রাকৃতিকভাবে আপনার চুল কন্ডিশনিং করে।
  • যাদের কোঁকড়া চুল আর সেই চুলগুলো সামলাতে ভীষণ বেগ পেতে হয়, তাহলে চুলগুলোকে সহজে যত্ন করতে ৩ টেবিল চামচ দই, ২ টেবিল চামচ নারিকেল তেল এবং ৪ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল নিয়ে পুরো চুলে সমানভাবে লাগান। ২০ মিনিট রেখে হালকাভাবে কোন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

২) চুল পড়া রোধকারী হিসেবে (for preventing hair fall)

  • চুল পড়া (hair fall) রোধ করতে আধা কাপ দইয়ের সাথে ২৫০ গ্রাম পেঁপে দিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি নারতে থাকুন যতক্ষন না মিহি হয়ে আসে, এরপর এই প্যাকটি চুলে প্রয়োগ করে হালকা কোন শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফলের জন্য এক ঘণ্টা মতো প্যাকটি চুলে রেখে দিন।
  • যদি দিন দিন আপনার চুল কমতেই থাকে তাহলে দেরি না করে দই আর মেথি দিয়ে একটি প্যাক তৈরি মাথার ত্বকে লাগান। ৪৫ মিনিট প্যাকটি রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন দেখবেন চুল পরা কমে আসছে।

৩) খুশকি দূর করতে (for the prevention of dandruff)

  • চুলের খুশকি দূর করতে মাথার ত্বকে ১৫ মিনিট দই ম্যাসাজ করুন পরে কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ল্যাকটিক অ্যাসিড মাথার ত্বকের শুষ্ক কোষ দূর করে আর চুলের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করে।
  • চুলের খুশকি দূর করতে দই আর কলা একসাথে পেস্ট করে মাথার ত্বক সহ চুলে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে ভালো কোন শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল মশ্চারাইজিং হওয়ার সাথে সাথে খুশকির যন্ত্রণা কমে গেছে।

চুলকে কোন কেমিক্যাল বা রাসায়নিক উপায়ে যত্ন করার নামে ক্ষতি না করে ঘরোয়া পদ্ধতিতে যত্ন করলে ক্ষতি হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকেনা।

আরো পড়ুন

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।