৮টি সহজ পদ্ধতিতে মুক্তি পান পেটের গ্যাস বা পেট ফেঁপে যাওয়া থেকে

8 Ways To Get Rid of Gas and Bloatingপেটে গ্যাস (gas) হয়নি বা প্রচলিত ভাষায় “পেট ফেঁপে” (bloating) যায়নি এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া কঠিন। প্রাপ্ত বয়স্ক থেকে শুরু করে ছোটরাও এতে আক্রান্ত হতে পারে। সাধারণত পেটে বাতাস, তরল বা টিস্যুর প্রসারণের কারণে গ্যাস হয় বা ফেঁপে যায়। প্রচণ্ড অস্বস্তিকর এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার কিছু পদ্ধতি (ways to get rid of gas and bloating) জানাচ্ছি এই লেখায়।

১. চিনিযুক্ত খাবার (sugary food) সঠিকভাবে হজম না হলে পেটে গ্যাস হয়। দৈনন্দিন খাবারের তালিকা থেকে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবারগুলো সরিয়ে ফেলুন আজই। পরিবর্তে প্রাকৃতিক ভাবে মিষ্ট খাবার যেমন গাজর, বিভিন্ন মিষ্টি ফল ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

২. স্টার্চ বা শ্বেতসার যুক্ত খাবার (starchy food) পেট ফেঁপে যাওয়ায় ভূমিকা রাখে। আর ভাত, ভুট্টা, আলু এসবে স্টার্চ বা শ্বেতসার থাকে অধিক পরিমাণে। পেটে গ্যাস হওয়ার প্রবণতা থাকলে এই খাবারগুলো কিছুদিন খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। পরিবর্তে প্রচুর সবজি খান।

৩. সম্পূর্ণ গম বা আটা দিয়ে তৈরি খাবারগুলো পেটে গ্যাস সৃষ্টি করে। আটা বা ময়দা দিয়ে তৈরি বিভিন্ন পিঠা, বিস্কিট ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য পরিত্যাগ করুন।

৪. শীতকালে প্রচুর বাঁধাকপি পাওয়া যায়। সুস্বাদু এই সবজিটি খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন যদি আপনার পেটে গ্যাস হওয়ার প্রবণতা থাকে। কারণে এতে প্রচুর স্টার্চ (starch) রয়েছে।

৫. ফল এবং সবজি কাঁচা খাওয়ার পরিবর্তে সেদ্ধ বা রান্না করে খান। পেটের গ্যাস এতে কমে যাবে অনেকটাই।

৬. পেটের গ্যাস কমাতে এই ইউটিউব ভিডিওটি দেখুন। খুবই সহজ এই যোগব্যায়ামটি (yoga) অনুসরণ করলে শীঘ্রই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে মুক্তি পাবেন।

৭. পেটে গ্যাস হলে তরকারিতে সামান্য বেশি পরিমাণে হলুদ দিন। হলুদ পেটের গ্যাস কমাতে খুবই সাহায্য করে।

৮. গ্যাস বা পেট ফাঁপা কমানোর আরেকটি অনন্য সমাধান হচ্ছে আদা। আদা কুঁচি করে কেটে সামান্য পরিমাণে লবণ মিশিয়ে খান, অথবা লবণ ছাড়াও খেতে পারেন। আদা দ্রুত হজমে সাহায্য করে আর পাকস্থলীর এসিডকে প্রশমিত করে।

এ ধরণের আরও লেখা পড়ুনঃ

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।