জেনে নিন এসএমএস করার ৭টি সাধারণ শিষ্টাচার

Texting-Etiquetteপ্রচণ্ড ভিড়ে হইহুল্লোড় এর মাঝে, কিংবা ক্লাসে বা মিটিং এ যেখানে কথা বলার পরিবেশ নেই। এই অবস্থায় আমরা শরণাপন্ন হই এসএমএসের। কোন বিষয়ে ছোট করে লিখে, খুব দ্রুত কোন বিষয় জানিয়ে দেয়ার ব্যাপারে এসএমএসের জুড়ি নেই। তবে এসএমএস ব্যবহারের আছে কিছু নিয়মনীতি, যা জানা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

  • বাংলা কথা ইংরেজি অক্ষরে টাইপ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যেমনঃ ami kela dekhtesi, apnake ektu pore janabo. (আমি খেলা দেখছি, আপনাকে একটু পর জানাবো।) বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজনের মাঝে এটি চললেও অফিসের বস, সহকর্মী বা অপরিচিত ব্যক্তিদের সাথে এই ভাষায় মেসেজ না করাটাই ভাল। আর এখন প্রায় সব ধরণের ফোনেই বাংলা লেখা যায়।
  • সময়জ্ঞান মেনে এসএমএস করা উচিত। আপনার সাথে খুব ভাল পরিচয় নেই এমন ব্যক্তিকে রাত ১২ টার পর এসএমএস করা উচিত নয়।
  • বন্ধু বান্ধবের সাথে যে শর্ট সাইন গুলো ব্যবহার করেন, তা সবার সাথে করা যাবে না। এতে অনেকেই আপনার মেসেজের অর্থ বুঝতে পারতে না-ও পারেন।
  • গাড়ি চালাতে চালাতে এসএমএস লিখবেন না। এটা ঝুঁকিপূর্ণ।
  • উত্তর না পেলে কোন ব্যক্তিকে একই এসএমএস বারবার করবেন না। সে যখন উত্তর দিচ্ছে না এর মানে নিশ্চয় তার কোন সমস্যা আছে।
  • মাঝে মাঝে আমরা এসএমএস করতে মুঠোফোনের “Recently used” অপশনটি বেছে নিই। অর্থাৎ যাদের প্রায় মেসেজ করা হয়, সেই নাম্বার গুলো ঐ লিস্টে থাকে। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে অনেকেই ঐ লিস্টের অন্য কাউকে মেসেজ পাঠিয়ে দেয়। এতে ব্যক্তিগত কোন এসএমএস অন্য কারো কাছে চলে গিয়ে লজ্জাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
  • কেউ আপনাকে কোন এসএমএস করলে আপনি যে সেটি পেয়েছেন, সেটি জানিয়ে দেয়াটা ভদ্রতা।

এই নিয়মগুলো মেনে আমাদের এসএমএস করা উচিত। এতে অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে না।

এছাড়া আরো পড়তে পারেন
মাত্র ১০ টি লাইনে জেনে নিন মুঠোফোন ব্যবহারের আদব কায়দা

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।