মাত্র ১০ টি লাইনে জেনে নিন মুঠোফোন ব্যবহারের আদব কায়দা

mobileআমাদের বেডরুম থেকে শুরু করে অফিসের মিটিং-এ, ক্লাসে, লাইব্রেরিতে,এমনকি অনেকসময় টয়লেটে যে জিনিসটি প্রতিদিন চুপচাপ ঢুকে পড়ছে তার নাম মুঠোফোন। কিন্তু সবসময় কি এটি চুপচাপ থাকছে আর সাথে আমরা? কখন কোথায় মুঠোফোনটিকে চুপ রাখতে হবে, কখন চুপচাপ রাখতে হবে নিজেকে আর কিভাবে করতে হবে এর ব্যবহার জানি না আমরা অনেকেই। তবে চলুন ১০ টি লাইনে জেনে আসি মুঠোফোন ব্যবহারের আদবকায়দা।

  • মুঠোফোনে কথা বলার সময় স্বর নিচু ও মার্জিত রাখুন, পরিসংখ্যান বলে আমরা নাকি স্বাভাবিকের চেয়ে মুঠোফোনে তিনগুন জোরে কথা বলি।
  • সামনাসামনি বসে কারো সাথে কথা বলার সময় মুঠোফোনে অনেকক্ষণ কথা বলা, মেসেজ করা থেকে বিরত থাকুন, এতে সামনে বসা ব্যক্তিটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ পায়।
  • মসজিদ, লাইব্রেরি, চার্চ,মন্দির এই স্থানগুলোতে ঢোকার আগেই মুঠোফোন বন্ধ করে রাখুন।
  • গাড়ি, বাইক, সাইকেল চালাতে চালাতে কখনোই মুঠোফোনে কথা বলবেন না, এটি মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে।
  • জনসম্মুখে যেমনঃ পাবলিক বাসে, মার্কেটে, বাজারে মুঠোফোনে ব্যক্তিগত কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।
  • অপ্রয়োজনে অনেকক্ষণ মুঠোফোন ব্যস্ত বা অন্যের কল ওয়েটিং এ রাখবেন না, কলটি জরুরি কোন খবর নিয়ে আসতে পারে।
  • জনবহুল স্থানে কথা বলার সময় অন্য ব্যক্তির চেয়ে অবশ্যই ১০ ফুট (৩ মিটার) দূরে থাকুন।
  • অফিসের মিটিং এ, সেমিনারে, কোন presentation উপস্থাপনের সময় মুঠোফোন নীরব (সাইলেন্ট) রাখুন।
  • জনসম্মুখে মুঠোফোনে বন্ধুদের সাথে কথা বলতে আজেবাজে শব্দ ব্যবহার করবেন না, এটি আপনার সম্পর্কে অন্য জনের কাছে খারাপ বার্তা বয়ে নিবে।
  • রিং টোন নাকি মানুষের রুচি, পছন্দের ছাপ বহন করে, তাই নিচু ভলিউমে ভাল কোন টোন রিং টোন হিসেবে ব্যবহার করুন।

পাঠক আপনি হয়তো জানেন না আপনার বন্ধু, সহকর্মী বা আপনার পরিবারের কেউ আপনার মুঠোফোন ব্যবহারের কোন আচরণে বিরক্ত হচ্ছে প্রতিদিন। তাই আজ থেকেই মেনে চলুন মুঠোফোন ব্যবহারের আদবকায়দাগুলো, আর নিজের ভাবমূর্তি করুন উজ্জ্বল।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।