যে ৫টি কাজ করে হাসিখুশি রাখতে পারেন আপনার বাচ্চাকে

5 Ways To Make Your Kids Happy‘বাচ্চার মুখে হাসি’ এই দৃশ্যে নাকি বাবা মা স্বর্গ দেখতে পান। আপনার বাচ্চা যখন হেসে ফেলে এই দৃশ্যটি হয়তো আপনার সারাদিনের ক্লান্তি, মন খারাপ ভাব এক নিমেষে দূর করে দিতে যথেষ্ট। কেমন হয় যদি আপনার কোন কৌশলের দ্বারা সহজেই তার মুখে হাসি ফোটানো যায়। চলুন জেনে নিই সেরকম পাঁচটি কৌশল।

১) স্বাভাবিক কাজগুলোই করুন (do regular tasks)

বাচ্চার মুখে হাসি ফোটাতে প্রতিদিন আপনি যে কাজগুলো করেন তাই করুন। ধরুন প্রতিদিন আপনি তাকে একটি গান শোনান, ঐ গানটিই গেয়ে শোনান। শিশুযত্ন নিয়ে লেখা জনপ্রিয় বই ‘Bright from the start’ এর লেখক Jill Stamm এর মতে “নতুন ধরণের কোন কাজ করে উত্তেজনা সৃষ্টির দরকার নেই, পরবর্তীতে কি হতে যাচ্ছে এই ব্যাপারটি আগে থেকেই তার জানা থাকলে সে বেশি হাসিখুশি থাকবে।”

২) তার চোখের দিকে তাকিয়ে হাসুন (smile looking at his face)

আপনার বাচ্চা আপনার দিকে, আপনার চোখের দিকে তাকাতে পছন্দ করে। তার চোখের দিকে তাকিয়ে হাসুন, তার নাকে চুমু খান। সে যখন তার দৃষ্টিসীমার মাঝে একটি হাসিখুশি মুখ দেখতে পাবে শিহরিত হবে, তার মুখেও ফুটে উঠবে হাসি।

৩) তাকে পরিষ্কার রাখুন (keep him clean)

সে যখন বিছানা ভিজিয়ে ফেলবে খুব দ্রুত তা পাল্টিয়ে দিন। এছাড়া অনেকসময় ডায়াপারের কারণে তার চামড়ায় র‍্যাশ হয়, তা দূর করতে Zinc oxide ointment ব্যবহার করুন। তার বিছানা এবং চামড়া যদি শুষ্ক ও পরিষ্কার থাকে সে আরাম বোধ করবে থাকবে হাসিখুশি।

৪) তার সাথে মজার একটি খেলা খেলুন (play with him)

৩-৪ মাস যাওয়ার পর প্রত্যেক শিশুই কোন না কোন জিনিস ধরতে পারে। একটু রঙিন, নরম কোন খেলনা তার চোখের সামনে ধরুন সে হাত বাড়িয়ে তা ধরার চেষ্টা করবে। প্রথমেই খেলনাটি তার হাতে না দিয়ে তাকে খেলনাটি পর্যন্ত পৌছাতে সুযোগ দিন। এরপর খেলানটি তার হাতে ছেড়ে দিন, দেখবেন খেলনাটি হাতে পেয়ে সে হেসে ফেলবে।

৫) তার পা ম্যাসাজ করুন (foot massage)

যদিও তার পায়ে কোন যন্ত্রণা না থাকে, কিন্তু আপনার সন্তানের পায়ে মেসেজ করলে সে আরাম পাবে ও খুশি হবে। তার ছোট্ট পা আপনার হাতের মুঠোয় নিয়ে হালকাভাবে বৃত্তাকারে মেসেজ করুন। অলিভ ওয়েল বা লোশন ব্যবহার করতে পারেন। এতে তার পা গরম হয়ে উঠবে এবং উষ্ণতায় সে হেসে ফেলবে।

কৌশল তো জেনে গেলেন এবার তার মুখে হাসি ফুটানোর পালা। যে কৌশল ব্যবহারে সে হেসে ফেলবে প্রতিদিনই সেই একই কৌশল ব্যবহারের চেষ্টা করুন। আগেই তো জেনেছেন, “পরবর্তীতে কি হতে যাচ্ছে এই ব্যাপারটি আগে থেকেই তার জানা থাকলে সে বেশি হাসিখুশি থাকবে।”

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।