কানকে রক্ষা করুন হেডফোনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে

Prevent Hearing Loss From Headphonesক্লাসে বা অফিসে যাওয়া আসার সময়, অথবা দূরের কোন যাত্রায়, ঝুম বৃষ্টির দিনে কিংবা অলস দুপুরে হেডফোন আমাদের নিত্য সঙ্গী। দীর্ঘ সময় ধরে প্রচলিত এই জিনিসটির আছে নানা রকম ডিজাইন আর নাম। কিন্তু যতই ভিন্নতা আর বৈচিত্র্য থাকুক, প্রতিবার হেডফোন অল্প অল্প করে কমিয়ে দিচ্ছে আমাদের শ্রবণ শক্তি (hearing ability)। চিরস্থায়ীভাবে শ্রবণ শক্তি হারানোর আগেই সতর্ক হোন, জানুন কিভাবে এবং কোন ধরণের হোডফোন (headphone) ব্যবহার করবেন। এই লেখায় জানাচ্ছি কানের সুরক্ষার জন্য হেডফোন ব্যবহারের কিছু নীতিমালা।

কোন ধরণের হোডফোন ব্যবহার করবেন? (which one is safe to use)

বাজারে বিভিন্ন নাম ও ডিজাইনের হেডফোন প্রচলিত আছে। এর মধ্যে থেকে সবচেয়ে কম ক্ষতিকর হেডফোনটি বেছে নিতে হবে বেশ সতর্কতার সাথে। দু ধরণের হেডফোন বেশ জনপ্রিয়। ইয়ারবাড বা অন-ইয়ার হেডফোন এবং ফুল সাইজ হেডফোন। প্রথমটি মোবাইল ব্যবহারকারীদের কাছে এবং দ্বিতীয়টি কম্পিউটার/ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের কাছে। ইয়ারবাড (earbud) কানের জন্য খুবই ক্ষতিকর। বেশ কিছু গবেষণা থেকে প্রমাণিত হয়েছে ফুল সাইজ হেডফোনের (full size headphone) তুলনায় ইয়ারবাড ব্যবহারকারীরা শ্রবণ শক্তি জনিত সমস্যায় আক্রান্ত হন দ্রুত। বাইরের আওয়াজে গান ভালভাবে শোনার জন্য আমরা ভলিউম বাড়িয়ে দিই, কারণ ইয়ারবাড বাইরের আওয়াজ প্রতিহত করতে পারে না। । তাই সাইজে একটু বড় হলেও ব্যবহার করুন ফুল সাইজ হেডফোন। এটি বাইরের আওয়াজ অনেকটাই প্রতিরোধ করে, অল্প ভলিউমে গান শুনতে আপনাকে সাহায্য করবে।headphone typs

অভ্যস্ত হয়ে উঠুন 60:60 নিয়মে (use the 60:60 rule)

কানের সুরক্ষার জন্য দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে এই নিয়মটি নির্ধারণ করা হয়েছে। আপনার গান শোনার যন্ত্রের সর্বোচ্চ ৬০% ভলিউম বাড়াতে পারবেন, এর বেশি নয়। আর গান শোনার সর্বোচ্চ সময়সীমা হতে পারে ৬০ মিনিট। এর পর কানকে বিশ্রামের জন্য বেশ কিছুটা সময় দিন। এই নিয়মটি অনুসরণ করলে হেডফোন ব্যবহারের পরেও দীর্ঘদিন পর্যন্ত শ্রবণ শক্তি ভাল থাকবে।

এ ধরণের আরও লেখা পড়ুন

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।