জানুন থ্যালাসেমিয়া রোগটি সম্পর্কে-পর্ব ১

Thalassemiaআমরা অনেকেই জানি না থ্যালাসেমিয়া কি, তাই চলুন এ রোগটি সম্পর্কে আজ জেনে নেই।

থ্যালাসেমিয়া হিমোগ্লোবিন ডিসঅর্ডার জনিত একটি বংশগত রোগ যা পিতা-মাতা থেকে সন্তানদের মধ্যে জিনের এর মাধ্যমে প্রবেশ করে। ঢাকা শিশু হাসপাতালের গবেষণায় দেখা গেছে যে, আমাদের দেশে বিটা বাহক ৪.১% এবং হিমোগ্লোবিন-ই-বাহক ৬.১%।

বিটা থ্যালাসেমিয়া মেজর শিশুর জন্ম হয় যখন পিতা মাতা উভয়েই বিটা থ্যালাসেমিয়া বাহক হয়। আর হিমোগ্লোবিন-ই-বিটা থ্যালাসেমিয়া শিশুর জন্ম হয় যখন পিতা কিংবা মাতার একজন বিটা থ্যালাসেমিয়া বাহক এবং অন্যজন হিমোগ্লোবিন-ই-এর বাহক। এখানে উলেখ্য যে, পিতা-মাতার একজন বাহক হলে এবং অন্যজন স্বাভাবিক সুস্থ হলে থ্যালাসেমিয়া শিশুর জন্ম হয় না।

থ্যালাসেমিয়া বাহক কিংবা রোগাক্রান্ত হলে, কেমন করে জানা যাবে ?

আমরা রক্তের বিশেষ এক ধরনের পরীক্ষার মাধ্যমে জেনে নিতে পারি কারা এই রোগের বাহক, কারা এই রোগে আক্রান্ত আর কারাই বা এই রোগ থেকে মুক্ত আছে।আর এই পরীক্ষার নাম হিমোগ্লোবিন-ইলেকট্রোফোরেসিস।

কিছু সাধারণ লক্ষণ যা থেকে আমরা হয়তো বুঝতে পারি “এ মানুষটি থ্যালাসেমিয়া রোগী”

  • রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
  • জন্ডিস হয়।
  • যকৃত প্লীহা বড় হয়ে যায়।

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।