জানুন মৌমাছির কামড়ে ঘরোয়া চিকিৎসার জন্য কিছু পরামর্শ

How To Treat A Honey Bee Sting By Natura And Home Remediesবাড়ির আশপাশ কিংবা রাস্তা ঘাট যে কোন জায়গায় আপনি,আপনার পরিবারের সদস্য,ছোট শিশু যে কেউ মৌমাছির কামড়ে আক্রান্ত হতে পারে। তাই তৎক্ষণাৎ কিছু ঘরোয়া নিরাময় পদ্ধতিসহ কিছু জরুরী বিষয় জানা থাকলে নিজে এবং প্রিয় জন বা প্রতিবেশী ব্যথা, যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে পারে। বড় রকমের ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে বা বাঁচাতে পারে।

যে গুরত্বপূর্ণ বিষয়টি অবশ্যই মনে রাখতে হবে তা হলো -যদি এলার্জিক কাউকে কামড় দিয়ে থাকে তবে কিছু লক্ষণ যেমনঃশ্বাস কষ্ট,জ্ঞান হারানো ইত্যাদি দেখার সাথে সাথে ঘরোয়া চিকিৎসার উপর নির্ভর না করে,ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। নতুবা পরিণতি খারাপের দিকে যেতে পারে। তাছাড়া চুলকানি,ব্যথা, ফুলে যাওয়া এসব স্বাভাবিক লক্ষণ।

মৌমাছির কামড়ে ঘরোয়া চিকিৎসায় করণীয়

মৌমাছির কামড়ের সাথে সাথে যদি সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা ঘরোয়া ভাবে সেরে ফেলা যায়, তবে কষ্ট লাঘব হয়। ব্যথার তীব্রতা কমে। চলুন জানা যাক তেমন কিছু বিষয়।

হুল বের করে ধুয়ে ফেলা

মৌমাছি কামড়ের পর পরই হুল ছেড়ে যায়। এটি যতক্ষণ সময় ভেতরে থাকবে বিষের যন্ত্রণা তত তীব্র হবে। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হুল বের করে নিয়ে আক্রান্ত স্থান সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। সাথে সাথে সাধারণ পেইন কিলার খাওয়া যেতে পারে।

বরফ লাগানো

তারপর সেই স্থানে ২০ মিনিট পর্যন্ত কাপড়ে পেঁচিয়ে বরফ লাগিয়ে রাখতে হবে। বরফ ব্যাথাকে শীতল করে এবং ফোলা ভাব কমাতে বেশ উপকারী।

মধুর প্রলেপ দেওয়া

মৌমাছির কামড়ের বিষাক্ততা রোধে মধু খুব গুরত্বপূর্ণ উপাদান। আক্রান্ত স্থানে অল্প পরিমাণ মধু লেপে দিয়ে তুলা,ন্যাকড়া,পাতলা কাপড় পেঁচিয়ে ঢেকে রাখতে হবে ৩০মি-১ঘন্টা। তবে যাদের মধুর এলার্জি আছে তারা এটি করতে পারবে না। সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

লেভেন্ডার অয়েল মালিশ করা

বাসায় যদি লেভান্ডার অয়েল থাকে, তবে কয়েক ফোঁটা ক্ষতিগ্রস্থ স্থানে মালিশ করে দিতে হবে। এটি হুলের বিষ ধ্বংস করবে দ্রুত।

রসুনের রস দেওয়া

এক/দুটি রসুনের খন্ড থেঁতলে চেপে চেপে আহত স্থানে রস দিতে হবে। এরপর ভেজা তোয়ালে দিয়ে ২০-৩০ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে।

বেকিংসোডার মিশ্রণ তৈরী

অল্প বেকিং সোডার সাথে অল্প পানি ও সিরকা দিয়ে মিশ্রণ বানিয়ে সেটি হুল ফোঁটা স্থানে প্যাকের মত লাগিয়ে ।৩০মিনিট রাখতে হবে। এটি হুলের যে এসিড থাকে তা কমাতে সাহায্য করবে।

টুথপেষ্ট প্রয়োগ করা

বেকিং সোডার পেষ্টের মত করে টুথপেষ্ট ও লেপে দিতে হবে। ২০-৩০ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। এটি ব্যথা কমাতে বেশ উপকারী। ৫ ঘন্টা পর পর আবার দেয়া যায়।

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।