যেভাবে ত্যাগ করবেন দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস

nail-bitingদাঁতে নখ কাটার (nail biting) খারাপ অভ্যাস নিয়ে নতুন করে বলার মত কিছুই নেই। বলা হয়ে থাকে ধূমপানের পর এটিই পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় খারাপ অভ্যাস। আর এই খারাপ অভ্যাসটি দ্রুত ত্যাগ না করলে আঙ্গুলের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে, ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে পাকস্থলীও। তাই আর দেরি না করে জেনে নিন কিছু পদ্ধতি যা আপনাকে দাঁতে নখ কাটার খারাপ অভ্যাস থেকে মুক্তি দিবে (how to stop nail biting)

১. নিজের নখের ছবি তুলুন (take a picture of your nails):

প্রথমেই আপনার আঙ্গুলের নখের ছবি তুলে তা প্রিন্ট করে নিন। এবার আপনার পরিবারের কোন সদস্য যার সুন্দর নখ রয়েছে বা ইন্টারনেট থেকে কোন ছবি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করিয়ে নিন। এবার ছবি দুটো ঘরের দেয়ালে পাশাপাশি ঝুলিয়ে রাখুন। নিজের রুমে বসে প্রতিবার দাঁত দিয়ে নখ কাটার সময় (nail biting) ছবিটি দেখুন। নিজের অজান্তেই আপনার মনে দাঁত দিয়ে নখ কাটার প্রতি বিতৃষ্ণা সৃষ্টি হবে।

1

২. আঙ্গুলে এডহেসিভ ব্যান্ডেজ লাগান (put adhesive bandages):

এডহেসিভ ব্যান্ডেজ যাকে আমরা অনেকে ওয়ান টাইম ব্যান্ডেজ বলে থাকি তা বেশি করে কিনে আনুন। এবার প্রতিটি আঙ্গুলের ডগায় ব্যান্ডেজ জড়িয়ে নিন। ভিজে গেলে, খাওয়ার পূর্বে ইত্যাদি সময়ে ব্যান্ডেজ খুলে নিন, আবার নতুন ব্যান্ডেজ লাগান। এভাবে একমাস চলার পর নিজের নখের দিকে তাকান, বিস্মিত হয়ে পড়বেন সুন্দর নখ দেখে।

2

৩. প্রতিমাসে একটি করে আঙ্গুলকে রক্ষা করুন (take it one nail at a time):

একেবারে দাঁতে নখ কাঁটা বন্ধ করতে না পারলে ধীরে ধীরে চেষ্টা করুন। হাতের যে কোন একটি নখকে মুক্তি দিন কামড়ানো থেকে। এভাবে প্রতিমাসে একটি একটি করে নখকে সুরক্ষিত করুন। তাহলে ১ বছরের ভেতরই আপনার দাঁতে নখ কাটার অভ্যাস বন্ধ হয়ে যাবে।

3

৪. নখে লাগান Bitrex (use Bitrex):

নেইল পলিশের মত করে সবগুলো নখে Bitrex লাগিয়ে নিন। এটি স্বচ্ছ তাই লাগানোর পর বোঝা যাবে না। এতটাই এর বিদঘুটে স্বাদ যে প্রতিবার নখ দাঁতে লাগানোর পর নিজেই অনুতপ্ত হবেন। যে কোন ঔষধের দোকানে এর খোঁজ করতে পারেন।

৫. নিয়মিত নেইল কাটার দিয়ে নখ কাটুন (use nail cutter):

হাতের নখ নিয়মিত কাটলে দাঁতে কাঁটার জন্য কোন নখই অবশিষ্ট থাকবে না। এভাবে ধীরে ধীরে আপনি এই অভ্যাস থেকে মুক্তি পাবেন।

এ ধরণের আরও লেখা পড়ুনঃ

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।