অনিদ্রা দূর করার ৯ টি কার্যকরী উপায়

Insomiaঘুমের সমস্যায় পড়েন নি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবেনা। এটা যে কত অস্বস্তিকর একটা সমস্যা, তা না বললেই নয়। ঘুমের ব্যাঘাত হলে সেটা মন এবং শরীরের উপরে পড়ে, ফলশ্রুতিতে কোন কাজই ঠিকভাবে করা হয় না। এই পোস্টে আমি অনিদ্রা দূর করার ৯ টি কার্যকরী উপায় সম্পর্কে বলছি, যেগুলো ঠিকভাবে অনুসরণ করলে  অনিদ্রাগত সমস্যার সমাধান হবে।

১. আপনার  বেডরুম টি শুধু ঘুমের জন্য রাখুন : আপনার বেডরুমটি শুধু আপনার ঘুমের কাজেই ব্যবহার করুন। এই রুমে অন্য কোন কাজ করতে যাবেন না। আপনি যদি আপনার রুম অন্যান্য কাজের জন্য ব্যবহার করেন, তাহলে এটা অবশ্যই   অনিদ্রার কারণ। খাওয়া হতে শুরু করে দরকারি কাজ অন্য রুমে সেরে ফেলুন।

২. ঘুমাতে যাবার ২-৩ ঘণ্টা আগে খাবেন :  ঘুমাতে যাবার আগে খাবার খেলে সেটা হজমের মারাত্মক ব্যঘাত ঘটায়, আর তাই অনিদ্রা দূর করার জন্য ঘুমাতে যাওয়ার ৩ ঘণ্টা আগে খেয়ে নিবেন।

৩. উত্তেজক  খাবার পরিহার করুন :  কফি, চা, ধূমপান, এনার্জি ড্রিংকস- এগুলো হল উত্তেজক খাবার। কাজেই ঘুমাতে যাবার আগে এগুলো ত্যাগ করতে হবে।

৪. পানি পান করুন : ঘুমাতে যাবার আগে পানি পান করুন, এটা অনেকাংশে অনিদ্রা রোধ করে। হাতের কাছে ১ গ্লাস পানি রাখুন। আকস্মিক ঘুম ভেঙ্গে গেলে পানি  খেয়ে নিবেন।

৫. কক্ষে বিশুদ্ধ বাতাসের ব্যবস্থা করুন : আপনার কক্ষটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন এবং খেয়াল রাখুন যাতে ধূলোবালি কম আসে। একটি জানালা হালকা খোলা রাখুন, যাতে বাতাস চলাচলে সমস্যা না হয়।

৬. দৈনন্দিন সমস্যাগুলো আপনার বেডরুমের  বাইরে রাখুন : আপনি যখন ঘুমাতে আসবেন,  তার মানে হচ্ছে আপনার কাজের সময় শেষ। এখন ঘুমানোর পালা। কাজেই যা সমস্যা আছে, সেগুলো ভুলে যান। সমস্যা নিয়ে ভাবতে থাকলে ঘুম আসবেনা।

৭. ক্লান্ত হলে ঘুমাবেন :  আপনি যখন ক্লান্ত হয়ে যাবেন, শুধু তখনই ঘুমাতে যাবেন। ঘুমানোর নির্দিষ্ট   কোন সময় নেই। আপনার সব কাজ করা শেষ হয়ে গেলে যখন আপনি ক্লান্তিবোধ করবেন, তখনই বিছানায় আসবেন, তার আগে না।

৮. কক্ষটি নীরব হওয়া  আবশ্যক : আপনার শোবার কক্ষটি পরিপূর্ণ ভাবে নীরব হতে হবে। কোন  মোবাইল অথবা কম্পিউটার এর শব্দ যাতে না আসে, সেই দিকে লক্ষ্য রাখা বাঞ্ছনীয়।

৯. অন্ধকারে ঘুমাবেন : শোবার সময়ে যাতে কক্ষে আলো না আসে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আলো আসা অনিদ্রার অন্যতম কারন।

আশা করছি যে এই ৯ টি পরামর্শ সঠিকভাবে অনুসরণ করলে আপনার অনিদ্রা অনেকাংশে দূর হবে।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি।  পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইস বুক, টুইটার ,গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।