সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার হতাশা থেকে বের হয়ে আসুন

How to Deal with Frustration of A Broken Relationshipদীর্ঘ দিনের ভালবাসার সম্পর্ক ভেঙ্গে গেলে বা বহু পুরনো বন্ধুত্ব যখন ভেঙে যায় স্বাভাবিকভাবেই আমরা সবাই ভেঙে পড়ি। জীবনটা তখন অর্থহীন মনে হয়। হতাশা এসে ভর করে। আসুন জেনে নেয়া যাক এমন নাজুক সময়ে আমরা কিভাবে হতাশা কাটিয়ে উঠে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারি।

  • ইতিবাচক চিন্তা করা: যখন কোন সম্পর্ক ভেঙে যায় তখন বিভিন্ন নেতিবাচক চিন্তা আসে। নিজেকে দোষারোপ করতে থাকি নানা কারণে। যা আমাদের আত্মবিশ্বাসকে কমিয়ে দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথকে বন্ধ করে দেয় । তাই এ সময় নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক চিন্তা করুন, নিজের ইতিবাচক গুণগুলোকে খুঁজে বের করুন।
  • প্রিয় মানুষের সাথে সময় কাটান: এ সময় এমন কিছু মানুষের সাথে সময় কাটান যারা আপনাকে বোঝার চেষ্টা করে এবং আপনার ভাল লাগা, মন্দ লাগাকে মূল্যায়ন করে । সর্বোপরি যে আপনাকে সম্মান করে এবং আপনাকে আবেগিয় দিক দিয়ে মানসিক সমর্থন দেয়।
  • লেখার অভ্যাস গড়ে তোলা : নিজের মনের যে কোন কথা বা কষ্ট বা আবেগ যেগুলো অন্য কাউকে বলতে চান না বা অনেক সময় বলার মত কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না তখন নিজের কথাগুলো লিখে ফেলুন মনের মাধুরী মিশিয়ে। অনেক সময় যখন কোন বন্ধু খুঁজে পাওয়া যায় না তখন খাতা কলম হতে পারে সর্বশ্রেষ্ঠ বন্ধু ।
  • সুখী হবার অন্যান্য পথ গুলো খুঁজে বের করা: নিজের পছন্দনীয় কাজগুলো খুঁজে বের করে সেগুলোতে মনযোগী হওয়া। যেমন- হতে পারে গান শেখা, রান্না করা, ছবি আঁকা ইত্যাদি। যে কাজগুলো করে আনন্দ পাওয়া যায় এমন কিছু কাজ খুঁজে বের করা। এতে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়বে ।
  • শারীরিক পরিশ্রম করা: ব্যায়াম আমাদের মেজাজ ঠিক রাখতে সহায়তা করে। দিনের কিছুটা সময় শরীরচর্চায় ব্যয় করা। যেমন: দৌড়ানো, হাঁটতে যাওয়া ইত্যাদি। এতে সময়ও কাটবে এবং কিছুটা সময় নিজেকে নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে রাখা যাবে এবং শরীরও সুস্থ থাকবে ।

এখানে সম্পর্ক ভাঙ্গার কারণে সৃষ্ট হতাশা থেকে বের হয়ে আসার কিছু উপায় বলা হল মাত্র। কিন্তু কারও হতাশা যদি খুব বেশি হয় যে তার জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এমন হলে অবশ্যই সময় ব্যয় না করে একজন অভিজ্ঞ মনোবিজ্ঞানীর কাছে থেকে মানসিক সেবা গ্রহণ করাটাই অধিক ফলপ্রসূ হবে।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।