কর্মক্ষেত্রে নিজেকে আরও কর্মক্ষম ও আত্মতৃপ্ত করার ৬ টি পরামর্শ

offc3কর্মক্ষেত্রে নিজেকে যোগ্য এবং কর্মক্ষম প্রমাণ করতে কে না চায়? এতে যেমন সহকর্মী এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সম্মান লাভ করা যায়, তেমনি কাজে টিকে থাকার নিশ্চয়তাও বাড়ে। সেই সাথে লাভ করা যায় আত্মতৃপ্তি। তাই জেনে নিন ৬ টি পরামর্শ যা আপনাকে আরও বেশি কর্মক্ষম  হতে এবং আত্মতৃপ্তি পেতে সাহায্য করবে।

১. পরিকল্পনা করুনঃ
প্রতিদিন কাজ শুরু করার আগে পরিকল্পনা করে নিন। এতে আপনার কাজে যেমন ধারাবাহিকতা আসবে তেমনি তা সফলভাবে সম্পন্ন করার নিশ্চয়তাও বাড়বে। প্রতিদিন ১৫ মিনিট আগে কর্মক্ষেত্রে গিয়ে সাজিয়ে নিতে পারেন আপনার সেদিনের কর্মপরিকল্পনা।

২. নিজেকে প্রশ্ন করুনঃ
প্রতিদিন কাজের ফাঁকে নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি আপনার সময়ের সঠিক ব্যবহার করছেন কি না। যে কাজ ১ ঘণ্টায় শেষ হয়ে যায় তা করতে আপনার অনেক বেশি সময় লেগে যাচ্ছে কি না। এ ধরণের প্রশ্ন ছাপা কার্ড রেখে দিতে পারেন নিজের সামনে। এতে আপনার কাজের গতি বেড়ে যাবে অনেক গুণ।

৩. প্রাধান্য দিন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকেঃ
প্রতিদিন ছোট বড় হাজারো কাজ এসে জড়ো হয়। সব কাজ শেষ করা সম্ভব হয় না অনেক সময়ই। ফলে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো নির্দিষ্ট করে তা শেষ করে ফেলুন। এর পর বাকি কাজের দিকে নজর দিন। অনেক কাজ এক দিনে শেষ করা সম্ভব না ও হতে পারে, এটা মেনে নিন।

৪. কর্মপরিকল্পনার সময় বন্ধ রাখুন কম্পিউটারঃ
যদি খুব গুরুত্বপূর্ণ না হয়ে থাকে তবে দৈনন্দিন কর্মপরিকল্পনার সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখুন। কাগজে পরিকল্পনাগুলো লিখুন। এতে করে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারবেন কাজের দিকে, ফলে তা ভুল হবার সম্ভাবনা কম হবে এবং চোখের কিছুটা বিশ্রামও হবে।

৫. অতিরিক্ত সময় চেয়ে নিনঃ
যদি কোন কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করা সম্ভব না হয় তবে সুযোগ থাকলে অতিরিক্ত সময় চেয়ে নিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে। তাড়াহুড়োয় কাজ করলে তা ভুল হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই অতিরিক্ত সময় আপনাকে সঠিকভাবে কাজ শেষ করতে সাহায্য করবে, অন্যান্য কাজেও এর প্রভাব দেখতে পাবেন।

৬. কর্মস্থলে যাতায়াতের সময়টার সঠিক ব্যবহার করুনঃ
এদেশে কর্মস্থলে আসা-যাওয়া করাটাই যথেষ্ট শ্রমসাধ্য। কিন্তু যদি আপনার অফিস নিজস্ব পরিবহণের ব্যবস্থা করে থাকে বা নিজের গাড়ি থেকে থাকে তবে এই সময়টার পূর্ণ ব্যবহার করুন। এসময় অডিও বুক শুনতে পারেন নিজের মোবাইলে, বা বই পড়তে পারেন, করতে পারেন সৃজনশীল পরিকল্পনা । এই আনন্দের প্রভাব পড়বে আপনার কাজেও।

কর্মক্ষেত্র নিয়ে পরামর্শ.কম এ প্রকাশিত আরো কিছু লেখা পড়ুন

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।