সহজেই মুক্ত হোন পায়ের দুর্গন্ধজনিত বিরক্তিকর সমস্যা থেকে

foot odorঅনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে যখন আপনি গন্তব্য স্থলে পৌছে একটু স্বস্তি পেতে পায়ের জুতো বা স্যান্ডেল খুলে বসেন, ঠিক তখনই দুর্গন্ধে (foot odor) আপনার সামনের মানুষ গুলো নাক কুঁচকে উঠে। এটা সত্যিই বিব্রতকর।

পায়ে দুর্গন্ধ সাধারণত ঘাম থেকে হয়, জুতো বা স্যান্ডেল পরার কারণে আপনার পায়ের ঘাম জুতোর ভেতরেই বদ্ধ হয়ে দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে। পায়ে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেও আমরা দুর্গন্ধ প্রতিরোধ করতে পারি। আবার ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে সহজে এই সমস্যার সমাধান করতে পারি।

পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে আপনার করণীয় (tips for foot odor)

  • এক গামলা গরম পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং পাউডার (baking soda) মিশিয়ে সেই পানিতে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। এক সপ্তাহ প্রতিদিন রাতে এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনার পায়ের দুর্গন্ধ হওয়ার চান্স কমে যাবে।
  • পায়ের দুর্গন্ধ কমিয়ে আনতে গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার (lavender) অয়েল মিশিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সে পানিতে পা ভিজিয়ে রাখুন। টানা এক সপ্তাহ প্রতিদিন দুইবার এই নিয়ম অনুযায়ী চললে পায়ের দুর্গন্ধ হওয়া কমে যাবে।
  • ফিটকিরি (alum) গুঁড়ো এক কাপ পানিতে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে আপনার পা ধুয়ে ফেলুন। পা শুকিয়ে গেলে আপনি পায়ে জুতো পরে দেখুন দুর্গন্ধ কম হবে।
  • দেড় কাপ ভিনেগার (vinegar) আট কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে আপনার পা ১০ থেকে ১৫ মিনিট সেই পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরে সাবান দিয়ে আপনার পা ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন পায়ে দুর্গন্ধ কম হচ্ছে।
  • আধা কাপ সোহাগা (borax) ও আধা কাপ ভিনেগার দুই কাপ পানি দিয়ে মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে নিন, এবার এই মিশ্রণ আপনার জুতোর মধ্যে স্প্রে করুন। আবার একই উপায়ে জুতো পরার আগে এই মিশ্রণ স্প্রে করে জুতো পায়ে দিন। দেখবেন আর পায়ে গন্ধ হবে না।

বিব্রতকর অবস্থা এড়াতে উপরের যেকোন একটি পদ্ধতি প্রয়োগ করে দেখুন। আপনি নিরাশ হবেন না।

আরো পড়ুন

  1. অসহনীয় পায়ে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে কি করবেন?
  2. নতুন জুতা পরতে গিয়ে পায়ে ফোস্কার যন্ত্রণা? জেনে নিন সমাধান

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।