সঙ্গীর বিরক্তির কারণ হতে না চাইলে আজই ত্যাগ করুন এই ৩টি আচরণ

Change three anoying behavior of yours for better relationship
ভালোবাসা মানেই দুজন মানুষের একে অন্যর প্রতি বোঝাপড়া আর ছাড় দেওয়ার নিমিত্তে গড়ে ওঠা একটা সম্পর্ক। এখানে একজন মানুষ অন্য আরেকজন মানুষের জন্য নিজেকে বদলে ফেলতেও দ্বিধা করেনা। কিন্তু সব সময় কি নিজেকে বদলে ফেলা বা ছাড় দেওয়ার মানসিকতা আপনার সঙ্গীকে আপনার প্রতি আসক্ত রাখতে সক্ষম হয়? সব চেষ্টা বিফলে যাবে যদি আপনি নিজের ছেলেমানুষি আচরণের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারেন। কারণ একটা সময় এইসব ছেলেমানুষি আচরণ আপনার ভালোবাসার মানুষটির কাছে ভালো লাগলেও সময়ের সাথে সাথে ভালোলাগা খারাপ লাগায় রূপান্তরিত হয়ে যায়।

তাই জেনে রাখুন কি কি ছেলেমানুষি আচরণে আপনার সঙ্গী বিরক্ত হতে শুরু করবে।

১. কারণে অকারণে অভিমান করা স্বভাবঃ

কথায় আছে ছোট ছোট অভিমান ভালোবাসা বাড়িয়ে তোলে। হ্যাঁ কথা সত্যি, ভালোবাসার গভীরতা বাড়াতে অভিমানের ভূমিকা কম নয়। কিন্তু একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না, কারণে অকারণে অভিমান করার ছেলেমানুষি স্বভাব থাকলে একটা সময় আপনার প্রতি আপনার সঙ্গী সবরকম আকর্ষণ হারিয়ে বরং বিরক্তি অনুভব করবে। তাই যদি ভালোবাসার সম্পর্ক অটুট রাখতে চান তাহলে আজই অতি অভিমানী স্বভাব বদলে ফেলুন।

২. যেকোন ব্যাপারে নিজেকে দোষারোপ করার স্বভাবঃ

আপনি যেকোন ব্যাপারে যখন একটানা নিজেকে দোষারোপ করে যাবেন তখন আপনার সঙ্গী আপনাকে সান্ত্বনা দেবে এবং সমস্ত খারাপ লাগা দূর করতে চেষ্টা করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একটা সময় “নিজেকে অপরাধী ভাবা” স্বভাবে বিরক্ত হয়ে আপনার সঙ্গী আপনাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করবে এটাও খুব অবশ্যম্ভাবী একটা ব্যাপার। তাই সঙ্গীর একটু নজর কাড়তে বা সহমর্মিতা পেতে নিজেকে দোষারোপ করা স্বভাব বাদ দিন। না হলে একটা সময় এই অভ্যাসই আপনার সম্পর্কের ইতি ঘটাতে যথেষ্ট কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

৩. সঙ্গীর প্রতি খুব বেশী নির্ভরশীলতাঃ

এখন সময় বদলেছে। এখন কেউ আর পরনির্ভরশীল অবস্থায় থাকতে পছন্দ করেনা। কিন্তু যদি এখনো ভেবে থাকেন আপনার এই পরনির্ভরশীল স্বভাবে মুগ্ধ হয়ে সঙ্গী আপনাকে আরও বেশী ভালবাসবে তাহলে আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন। আপনার এই সঙ্গীর প্রতি নির্ভরশীলতা ছেলেমানুষি হিসেবে মূল্যায়ন হতে বাধ্য আর একটা সময় আপনার প্রতি আপনার সঙ্গীর বিরক্তি আসতে বাধ্য। তাই আজই আপনার এই সঙ্গীর প্রতি নির্ভরশীলতা স্বভাব বাদ দিন।

এ ধরণের আরও লেখা পড়ুনঃ