৩৫ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি- সাধারণ বিজ্ঞান

zসাধারন বিজ্ঞান (১৫ নম্বর): আগের প্রশ্ন ঠোঁটস্থ করুন। নতুন সিলেবাসে একেবারে নির্দিষ্ট করে অনেক কিছু দেয়া আছে। এত জিনিস নিজে নিজে গোছাতে সময় লাগবে। তাই নতুন গাইড বের হলে কিনে ফেলুন যে কোনটা। তারপর গাইডে দেখুন সিলেবাসে যা আছে সেটা ওরা দিয়েছে কিনা। না দিলে বই ও ইন্টারনেটে দেখার চেষ্টা করতে পারেন।

সিলেবাসে ৩ টি অংশ। এগুলো বেশীর ভাগ জিনিস নবম শ্রেণীর পদার্থ, রসায়ন, জীব, সাধারণ বিজ্ঞান বইতে আছে। কিছু জিনিস ভূগোল ও অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বইতে আছে। আর রোগ সংক্রান্ত বিষয়গুলা গাইডে মোটামুটি থাকে। গত কয়েকটা বিসিএসে আগের প্রশ্ন থেকেই বিজ্ঞানের ৬০-৭০% প্রশ্ন আসত। এখনো কিছু আসবে। কিন্তু সিলেবাস নতুন, পরীক্ষা তো প্রতিযোগিতার, তাই যে যত ভাল করবে সেই টিকবে। সেজন্য আমি এখানে সিলেবাসের কিছু জিনিস কোথায় আছে বলছি। সময় পেলে দেখবেন।

পদার্থের অবস্থা, এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাঁদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ- এ অংশটা রসায়ন বিজ্ঞানের।

  • পদার্থের অবস্থা – কঠিন, তরল, বায়বীয় (১ম চাপ্টার, রসায়ন-নবম শ্রেণী)।
  • এটমের গঠন, মৌলিক কণা- ইলেকট্রন, প্রোটোন, নিউট্রন, আইসোটোপ, আইসোটোন, আইসোবার (৫ম চাপ্টার, রসায়ন-নবম শ্রেণী)।
  • এসিড, ক্ষার, লবণ, সাবান – নবম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই।
  • বাকিগুলো রসারন বইয়ের শেষের চাপ্টারগুলোতে আছে।

ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতিবিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির ও চল তড়িৎ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস ও এর প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর, আলোক যন্ত্রপাতি, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফর্মার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা- এ অংশটা পদার্থ বিজ্ঞানের। নবম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বইতে এগুলো আছে।

পদার্থের জীববিজ্ঞান বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিক্স, জীববৈচিত্র, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান ও অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগত, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, হৃদপিণ্ড, মাইক্রোবায়োলজি, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ন- এগুলো নবম শ্রেণীর জীববিজ্ঞান বইতে আছে।
বাকি অংশ – গাইড থেকেই সহযোগিতা পাবেন।

আরো পড়ুন

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।